1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় সভা। কুয়াশার ট্রাজেডি থেকে জেলা সংগঠনের জন্ম; যবিপ্রবিতে নীলফামারী অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ। বৃষ্টির বাধা আর কাদার যুদ্ধ পেরিয়ে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডিতে রানার্সআপ কাশিমপুর। ঝালকাঠিতে আইন-শৃঙ্খলা ও সরকারি কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ সভা। নরসিংদীর শিবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে জাপান প্রতিনিধি দল। নারায়ণপুরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক। পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ।

পোরশায় পটল পাতার বড়া বেচেই জীবিকা চলে শফিকুলের।

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬
  • ২৫ বার পঠিত

পোরশা(নওগাঁ) প্রতিনিধি:
নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুরে ব্যতিক্রমী এক খাবার বিক্রি করে দীর্ঘ আট বছর ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন শফিকুল ইসলাম। কোনো চটকদার বা নামী-দামী খাবার নয়, কেবল ‘পটল পাতার বড়া’ বিক্রি করেই তিনি আজ স্বাবলম্বী। তাঁর এই সততা ও কঠোর পরিশ্রমের গল্প স্থানীয়দের মাঝে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ আট বছর আগে এক বুক আশা আর সামান্য পুঁজি নিয়ে উপজেলা সদরে পটল পাতার বড়া বিক্রি শুরু করেন শফিকুল। শুরুতে অনেকেই বিষয়টিকে সাধারণ মনে করলেও, শফিকুলের হাতের জাদু আর চমৎকার স্বাদের কারণে অল্প দিনেই এই বড়া বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রতিদিন বিকেল হতেই তাঁর দোকানে ভিড় জমান দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভোজনরসিকরা।

“শুরুর দিকে কাজটা সহজ ছিল না। কিন্তু আমি দমে যাইনি। পটল পাতার বড়া তৈরি করতে বেশ পরিশ্রম হয়। পাতা সংগ্রহ থেকে শুরু করে মশলার সঠিক মিশ্রণ তৈরি—সব নিজেই করি। এই আট বছর ধরে এই বড়া বিক্রি করেই আমার সংসার চলছে, সন্তানদের লেখাপড়া করাচ্ছি। মানুষের ভালোবাসাই আমার এই কাজের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।”

দোকানে আসা কয়েকজন নিয়মিত ক্রেতা জানান, শফিকুলের হাতের পটল পাতার বড়া অত্যন্ত মুচমুচে ও সুস্বাদু। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি এই বড়া পোরশা এলাকার একটি জনপ্রিয় নাস্তায় পরিণত হয়েছে। দামেও সাশ্রয়ী হওয়ায় সব শ্রেণীর মানুষই এটি পছন্দ করেন।

কোনো কাজই যে ছোট নয়, শফিকুল ইসলাম দীর্ঘ আট বছর ধরে তা প্রমাণ করে চলেছেন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা অথবা সহজ শর্তে ঋণ পেলে তাঁর এই ক্ষুদ্র ব্যবসাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে যেতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন স্থানীয় সচেতন মহল। শফিকুলের এই সততা ও কর্মসংস্থানের প্রচেষ্টা সমাজের বেকার যুবকদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park