
জসিম উদ্দিন কক্সবাজার
নারীসঙ্গ অথবা মাদক সেবন- তাও আবার নিরাপদে! সবকিছুই মিলবে একই ছাদের নিচে। বিভিন্ন বয়সি পছন্দমাফিক নারীসঙ্গের পাশাপাশি ইয়াবা-হেরোইন, দেশি-বিদেশি মদ, আইস, সিসাসহ সব ধরনের মাদক পাওয়া যায় হাত বাড়ালেই।
কক্সবাজার অভিজাত এলাকা কলাতলী জোনে স্পা সেন্টারের আড়ালে এভাবেই চলছে দেহব্যবসা ও মাদক বাণিজ্যের জমকালো কারবার।
পুলিশের নিস্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে গত কয়েক মাসে অবৈধ এই কারবার বেড়েছে কয়েক গুণ। স্পা সেন্টারে আসা অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তি ব্ল্যাকমেইলের শিকার হচ্ছেন। সেন্টারের নারী কর্মীদের দিয়ে ওই সব ব্যক্তির অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি তুলে রাখা হয়। পরবর্তী সময়ে ওই ছবি দিয়ে তাদের ব্ল্যাকমেইল করার একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কক্সবাজার শহরের কলাতলী জোনকে কেন্দ্র করে যৌন ব্যবসা নতুন নয়। তবে ধরন পাল্টেছে।কলাতলী এলাকার অনৈতিক স্পা সেন্টার ও বিউটি পার্লারে এখন এসব ব্যবসা জমজমাট। উঠতি বয়সের বিত্তবান পরিবারের সন্তানসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মহলের ব্যক্তিই হচ্ছেন এসব সেন্টারের খদ্দের।
এই সব স্পা সেন্টারের নামে আড়ালে দেহব্যবসা ও মাদককে ঘিরে প্রতিদিন লেনদেন হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। পৌর কর্তৃপক্ষ থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে স্পা সেন্টারের আড়ালে চলছে রমরমা মাদক ও দেহবাণিজ্য।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হোটেলের ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন রঙের ঝলমলে আলোকসজ্জা। বাইরে থেকে বোঝার কিছু উপায় নেই। ভেতরে ছোট ছোট একাধিক রুম। এসব কক্ষে থাকে স্কুল, কলেজ ও ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ও রোহিঙ্গা সুন্দরী তরুণী। খদ্দের পেলে গোপন কক্ষ থেকে এনে দেখানো হয় তরুণীদের। এসব সেন্টারের নিরাপত্তায় রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। সার্বক্ষণিক নজরদারিতে থাকে এসব সিসিটিভি।