
লালমাই (কুমিল্লা) প্রতিনিধি :
কুমিল্লার লালমাই উপজেলা প্রতিষ্ঠার আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো গড়ে ওঠেনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিজস্ব ভবন। ফলে ভাড়া ভবনে সীমিত জনবল নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা চালিয়ে যেতে হচ্ছে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের।
২০১৭ সালে কুমিল্লার ১৭তম উপজেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে লালমাই। প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষের এই উপজেলার স্থায়ী স্বাস্থ্য অবকাঠামো এখনো অনুপস্থিত। জরুরি সেবা থেকে শুরু করে নিয়মিত চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।
বর্তমানে বাগমারা এলাকার ২০ শয্যার একটি হাসপাতালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম চলছে। তবে জনবল সংকট প্রকট। মোট ২৪টি অনুমোদিত পদের মধ্যে কর্মরত আছেন মাত্র ১২ জন। অভিযোগ রয়েছে, কিছু কর্মকর্তা অন্যত্র কর্মরত থেকেও এখান থেকে বেতন নিচ্ছেন।
লালমাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এনামুল হক বলেন, “নতুন ভবন নির্মাণের জন্য আমরা বারবার লিখিতভাবে জানিয়েছি। ভবন ও জনবল সংকট দূর হলে এখানকার মানুষ আরও উন্নত সেবা পাবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রী খীসা বলেন, “স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স না থাকায় দুর্ঘটনায় আহতদের দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হয় না। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”
কুমিল্লা সিভিল সার্জন ডা. আলী নুর মোহাম্মদ বশির আহমেদ জানান, “বর্তমানে বাগমারা ২০ শয্যা হাসপাতালেই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম চলছে। এটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রস্তাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।”