1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় সভা। কুয়াশার ট্রাজেডি থেকে জেলা সংগঠনের জন্ম; যবিপ্রবিতে নীলফামারী অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ। বৃষ্টির বাধা আর কাদার যুদ্ধ পেরিয়ে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডিতে রানার্সআপ কাশিমপুর। ঝালকাঠিতে আইন-শৃঙ্খলা ও সরকারি কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ সভা। নরসিংদীর শিবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে জাপান প্রতিনিধি দল। নারায়ণপুরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক। পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ।

​৫০ হাজার টাকা ঋণে শুরু, এখন দিনে আয় ৩ হাজার: হাঁস খামারে ঘুরলো আতাউর রহমানের ভাগ্যের চাকা।

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ বার পঠিত

​পোরশা(নওগাঁ)প্রতিনিধি: আমির উদ্দিন (বাবু)
পঞ্চাশ হাজার টাকার এনজিও ঋণ নিয়ে শুরু হয়েছিল জীবন পরিবর্তনের লড়াই। দীর্ঘ ৫ থেকে ৭ বছরের পরিশ্রম, প্রজ্ঞা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে আজ তিনি সফল উদ্যোক্তা। কথা বলছিলাম নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের হবুর মোড় গ্রামের আতাউর রহমানের (পিতা: রুহুল আমিন)কথা। উন্মুক্ত খাল-বিল ও নদী এলাকায় হাঁস চাষ করে তিনি আজ সমাজে গড়ে তুলেছেন নিজস্ব অবস্থান, অর্জন করেছেন আর্থিক স্বচ্ছলতা।

​বর্তমানে আতাউর রহমানের খামারে রয়েছে প্রায় ৮৫০টি হাঁস। প্রতিদিন ডিম বিক্রি থেকে তার আয় হয় প্রায় ৭ হাজার টাকা। হাঁসের খাবার ও অন্যান্য বাবদ ৪ হাজার টাকা খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন তার নিট লাভ থাকছে ৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ প্রতি মাসে খরচ বাদে তার আয় প্রায় ৯০ হাজার টাকা।

​শুরুর গল্পটা সহজ ছিল না। কোনো বড় পুঁজি না থাকায় বিভিন্ন নদী, বিল ও জলাশয় হাঁসের পাল নিয়ে ঘুরে ঘুরে খামার পরিচালনা শুরু করেন তিনি। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে হাঁস পালনের এই পদ্ধতি খরচ যেমন কমিয়েছে, তেমনি ডিমের মানও বজায় রেখেছে।

​হাঁস চাষের এই আয় দিয়েই বদলে গেছে আতাউর রহমানের জীবনচিত্র। তিনি নিজ উপার্জনে কিনেছেন দুই বিঘা জমি, নির্মাণ করেছেন নতুন বিল্ডিং বাড়ি। শুধু সম্পদের প্রসারই ঘটেনি, সন্তানদের শিক্ষায়ও তিনি কোনো কমতি রাখেননি।

তার তিন ছেলের মধ্যে বড় ছেলে পড়াশোনা শেষ করে এখন মাদ্রাসার শিক্ষক। মেজো ছেলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ে বাবার সফল খামার পরিচালনায় সরাসরি সহযোগিতা করছেন। আর ছোট ছেলে সদ্য এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে।

​নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে আতাউর রহমান বলেন, “সঠিক নিয়ম মেনে যত্ন নিলে এবং পরিশ্রম করলে হাঁস খামারে লস হওয়ার সুযোগ কম। এনজিওর সেই ৫০ হাজার টাকাই আজ আমাকে স্বাবলম্বী করেছে।”

​আজ এলাকার অনেক বেকার যুবকের কাছে আতাউর রহমান এক অনুপ্রেরণার নাম। সঠিক পরিকল্পনা আর কঠোর পরিশ্রম থাকলে যে শূন্য থেকেও সফলতার শিখরে পৌঁছানো সম্ভব, তা নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন এই খামারি।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park