
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন
স্টাফ রিপোর্টারঃ
একটি বেসরকারি হাসপাতাল আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কে ঘিরে সম্প্রতি চিকিৎসা সেবা, দুর্ঘটনা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর শাস্তির দাবি উঠলেও, একই সঙ্গে এর চিকিৎসাসেবা ও কম খরচে সেবা প্রদানের বিষয়েও ভিন্নমত দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলক স্বল্প খরচে অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছে বলে দাবি করা হয়। বিশেষ করে দরিদ্র রোগীদের জন্য কম খরচে সেবা দেওয়ার কারণে এটি এলাকায় পরিচিতি পায়।
তবে সম্প্রতি এক দুর্ঘটনার ঘটনায় কয়েকজন শিশু মৃত্যুর অভিযোগ ওঠার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও অঙ্গীকার করেছে বলে জানা গেছে।
এরপর থেকেই হাসপাতালটির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। কেউ কেউ লাইসেন্স বাতিল, আবার কেউ আরও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। অন্যদিকে একটি অংশ বলছে, একটি দুর্ঘটনার ভিত্তিতে পুরো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া সঠিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তদন্তসাপেক্ষে দায় নির্ধারণ করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বিশ্লেষকদের মতে, স্বাস্থ্যখাতে নিরাপত্তা ও জবাবদিহিতা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসইভাবে পরিচালনা করার জন্য ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়াও জরুরি। তারা বলছেন, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে স্বচ্ছ তদন্ত প্রয়োজন, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে তীব্র আলোচনা চলছে। কেউ হাসপাতালটির কঠোর শাস্তি দাবি করছেন, আবার কেউ মানবিক দিক বিবেচনা করে ধাপে ধাপে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সাধারণ মানুষের।