1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

শালিখা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি শিক্ষকদের।

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১০০ বার পঠিত

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ

শালিখা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসকে ঘিরে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানম–এর বিরুদ্ধে ঘুষ, প্রশাসনিক হয়রানি ও অনিয়মের একাধিক অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের দাবি, তিনি শালিখায় যোগদানের মাত্র তিন মাসের মধ্যেই দাপ্তরিক কার্যক্রমে অসন্তোষ চরমে পৌঁছেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, হেনায়ারা খানম পূর্বে উপবৃত্তির একটি প্রকল্পে সহকারী মনিটরিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে আদালতের রায়ের মাধ্যমে ২০২৪ সালে পিরোজপুর জেলায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। সেখানে দায়িত্ব পালনকালে তাঁর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও এক শিক্ষকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ ওঠে বলে শিক্ষক মহলের দাবি। বিভাগীয় ব্যবস্থায় তাঁর দুটি ইনক্রিমেন্ট কর্তনের সিদ্ধান্ত হয় বলেও অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। পরবর্তীতে তিনি শালিখা উপজেলায় বদলি হয়ে আসেন।
বর্তমানে শালিখায় লোন, মাতৃত্বকালীন ছুটি, মেডিকেল ছুটি, জিপিএফসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে অনৈতিক অর্থ লেনদেন ছাড়া ফাইল সই করা হয় না—এমন অভিযোগ করেছেন একাধিক শিক্ষক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রধান শিক্ষক বলেন, “টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না, ফাইল আটকে রাখা হয়।”
সাম্প্রতিক একটি বরাদ্দের ক্ষেত্রে ৫১টি বিদ্যালয়ের প্রতিটির কাছ থেকে তিন হাজার টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন শিক্ষক ঘুষ দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে।
এছাড়া প্রাণিসম্পদ বিভাগের প্যাকেটজাত দুধ বিতরণ কার্যক্রম থেকে প্রতি সপ্তাহে ৪০-৫০ প্যাকেট দুধ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। কিছু প্রধান শিক্ষককে ব্যক্তিগত প্রেসক্রিপশন দিয়ে ওষুধ সংগ্রহের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হেনায়ারা খানমের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী শিক্ষকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park