1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নরসিংদীতে নামাজরত অবস্থায় বৃদ্ধ মহিলাকে কুপিয়ে হত্যা গ্রেফতার ৩ কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত। ঝালকাঠি জেলা পরিষদের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় সভা। কুয়াশার ট্রাজেডি থেকে জেলা সংগঠনের জন্ম; যবিপ্রবিতে নীলফামারী অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র বড় সাফল্য ৩ কোটির ও বেশি টাকার চোরাচালানী পণ্য জব্দ। বৃষ্টির বাধা আর কাদার যুদ্ধ পেরিয়ে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডিতে রানার্সআপ কাশিমপুর। ঝালকাঠিতে আইন-শৃঙ্খলা ও সরকারি কার্যক্রম নিয়ে বিশেষ সভা। নরসিংদীর শিবপুরে কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনে জাপান প্রতিনিধি দল। নারায়ণপুরে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন জেলা প্রশাসক। পোরশায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও অনুদানের চেক বিতরণ।

বিতর্কিত সেই এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে ঘুষ-চাঁদাবাজির মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ।

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ২২ বার পঠিত


‎নিজস্ব প্রতিবেদক

‎ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি, চাঁদা দাবি এবং আসামির স্বজনদের নির্যাতনের অভিযোগে সাভার মডেল থানার বিতর্কিত উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

‎রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন। আদেশে পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের (এএসপি) নিচে নয়-এমন পদমর্যাদার কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মাধ্যমে মামলাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. নজরুল ইসলাম।

‎মামলায় সাভারের পশ্চিম রাজাশন এলাকার বাসিন্দা সুরাইয়া বেগম (৫৪) বাদী হয়ে সাভার মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহকে প্রধান আসামি করেছেন। এছাড়া এজাহারনামীয় আরও দুইজন এবং অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

‎মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরে বাদীর ছেলে শামীমের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে একটি মামলায় শামীম রেজাকে গ্রেপ্তার করে সাভার মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়। এ সময় তাকে রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা এসআই নেয়ামত উল্লাহ।

‎এছাড়া ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে দুটি দামি আইফোন মোবাইল চাঁদা হিসেবে আদায়ের অভিযোগও আনা হয়েছে এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে। গ্রেপ্তারের আগে দুই দফায় মোট সাড়ে চার লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল বলেও মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী।

‎এজাহারে আরও বলা হয়, শামীম রেজাকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছে থাকা নগদ ৩ লাখ ৩৮ হাজার টাকা, একটি স্বর্ণের আংটি আত্মসাৎ করেন এসআই নেয়ামত উল্লাহ। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠলে ব্যবহৃত মোবাইল ফেরত দিয়ে পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যদের ওপরও চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করা হয়।

‎সাম্প্রতিক সময়ে সাভার মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ নেয়ামত উল্লাহকে ঘিরে ঘুষ, চাঁদাবাজি ও প্রভাব বিস্তারের একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। পরবর্তীতে গণমাধ্যমের শিরোনাম হন এই পুলিশ কর্মকর্তা। এ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার কথাও জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগ উঠলেও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে বিচার না পেয়ে ভুক্তভোগী আদালতে মামলা দায়ের করেন।

‎ঢাকা জজ কোর্টের আইনজীবী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “মামলার বাদী বিজ্ঞ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাভার আমলি আদালতে উপস্থিত হয়ে ২০০ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেছেন। বিজ্ঞ আদালত জবানবন্দি ও নথিপত্র পর্যালোচনা করে সন্তুষ্ট হয়ে মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।”

‎আদালতের এ নির্দেশের ফলে এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো এখন পিবিআইয়ের তদন্তে যাচাই-বাছাই হবে। তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং অর্থ লেনদেনের বিষয়গুলো উঠে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park