
গোপালগঞ্জ সদর: বর্তমান সরকার দেশে মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বা শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছে। উন্নয়নের ধারায় দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের মধ্যপাড়ায় মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের শান্তি নষ্ট করছেন পলাশ খান নামক এক ব্যক্তি। সরকারের মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই এলাকায় মাদক কারবার চালিয়ে যাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সরকারের অঙ্গীকার ও স্থানীয় চিত্র:
বর্তমান সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে। যুবসমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকার বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এমন সময়েও পলাশ খানের মতো ব্যক্তিদের দৌরাত্ম্য সরকারের এই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। গোপীনাথপুর এলাকার সচেতন নাগরিকদের অভিযোগ, একদিকে সরকার যখন তরুণ প্রজন্মকে কারিগরি ও উন্নত শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলছে, অন্যদিকে পলাশ খান সেই প্রজন্মকে নেশার অন্ধকার জগতে টেনে নিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি:
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, “সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমরা গর্বিত। কিন্তু আমাদের এলাকা যদি মাদকমুক্ত না থাকে, তবে সেই উন্নয়নের সুফল আমরা পুরোপুরি ভোগ করতে পারছি না। আমরা চাই, গোপীনাথপুরের এই অন্ধকার দূর করে বর্তমান সরকারের মাদকমুক্ত ভিশন সফল করতে প্রশাসন দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিক।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান:
অভিভাবক ও এলাকাবাসীর দাবি, গোপীনাথপুর মধ্যপাড়াকে মাদকমুক্ত করতে প্রশাসন অবিলম্বে অভিযান পরিচালনা করুক। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির প্রতিফলন হিসেবে পলাশ খানের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করাই এখন সময়ের দাবি।
উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রায় মাদক কারবারিদের কোনো স্থান নেই—এই বার্তাটি পরিষ্কার করতে প্রশাসন ও এলাকাবাসী যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।