1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মেলান্দহ অফিস সময় মানছেন না খাদ্যা কর্মকর্তা। মেলান্দহে খাদ্যবান্ধব চালের ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবী। বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ

মেলান্দহ অফিস সময় মানছেন না খাদ্যা কর্মকর্তা।

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ৬২ বার পঠিত

বাকিরুল ইসলাম,জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের মেলান্দহে নির্ধারিত সময় মানছেন না খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা,এমন অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইফুলের বিরুদ্ধে। এতে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাপ্রার্থীরা।

ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে চরম ভোগান্তি ও হতাশা নিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। উপজেলা খাদ্য অফিসের ওয়েবসাইটে তথ্য হালনাগাদ নেই, দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। যোগদান পর থেকে অফিস ফাঁকি দেয়া তার কাজ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিস খোলা থাকলেও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপস্থিত নেই। কর্মকর্তার কক্ষটি ফাঁকা পড়ে রয়েছে।পাশের কক্ষে একজন নাইট গার্ডকে অফিসের কাগজপত্র দেখাশোনা করতে দেখা যায়।

অফিসের রেজিস্টার মেইনটেইন, চাল বিতরণের আদেশে (ডিও) সই, খাদ্যবান্ধব এবং ওএমএস চালের চালান পাস, জেলা পর্যায়ে ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠানোসহ সব কাজ করেন ঝাড়ুদার মোর্শেদ আলম।

সরকারি অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রে ঝাড়ুদার সই করা এবং অফিস চালানোর ঘটনায় স্থানীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইফুল সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন অফিসে আসেন। অধিকাংশ সময় বাড়িতে থাকেন।

তার বর্তমানে সব কাজ করেন ঝাড়ুদার মোর্শেদ আলম। এলাকায় ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলমান থাকলেও এসব তদারকি করেন না খাদ্য কর্মকর্তা। ঝাড়ুদার দিয়ে তদারকি করেন।তার এমন উদাসীনতায় খাদ্য কর্মসূচিতে নানান অনিয়ম দেখা দিয়েছে।

ওএমএস এর দুইজন ডিলার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, খাদ্য কর্মকর্তা প্রায়ই অফিস করেন না। অফিসে এসে ঘুরে যেচে হয়।

পৌরসভার জাহিদ বলেন, খাদ্য কর্মকর্তার অফিসে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ নথিতে ঝাড়ুদার সই করেন। এটা বিরাট অনিয়ম। শুনেছি কর্মকর্তার কম্পিউিটার চালনাসহ অফিসের সবকিছু তার হাতেই চলে। এর কঠিন বিচার হওয়া দরকার।

এ বিষয়ে ঝাড়ুদার মোর্শেদ আলম প্রশ্ন করলে তিনি কোনো জবাব দেননি।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক অফিসের কর্মকর্তা বলেন, খাদ্য কর্মকর্তাকে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য দাওয়াত দেওয়া হলেও তিনি উপস্থিত হন না।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সাইফুলকে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নী।পাশাপাশি তাঁর অফিসে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

জামালপুর সদর উপজেলা ও জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত  খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা  আয়মান বিনতে ফেরদৌস বলেন,অনিয়মিত অফিস করার বিষয়ে শুনলাম।খোঁজ খবর নিয়ে দেখা হবে। আজকে সাইফুল ইসলাম ছুটিতে আছে কিনা আমার জানা নেই।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park