1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পদূষণ ও মাইক্রোপ্লাস্টিক বিষয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯৪ বার পঠিত

রাসেল মাহমুদ
স্টাফ রিপোর্টার হবিগঞ্জ

হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্পদূষণ, নদ-নদীর অবস্থা এবং পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৈয়দ সায়েম উদ্দিন আহম্মদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), হবিগঞ্জ’-এর উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মো. ইকরামুল ওয়াদুদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর সদস্য সচিব ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ-এর সমন্বয়ক শরীফ জামিল। এছাড়াও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এনিম্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মো. শাকির আহম্মদ। তিনি সুতাং নদীর পানি ও মাছের দেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ নিয়ে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল তুলে ধরেন। গবেষণায় দেখা যায়, সুতাং নদীর পানিতে প্রতি লিটারে ৬.৬৭ থেকে ৪৬.৬টি পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। পানিতে থাকা মাইক্রোপ্লাস্টিকের মধ্যে খণ্ডাংশ ও ফাইবারের আধিক্য বেশি এবং এগুলোর আকার মূলত ০.১ থেকে ০.৫ মিলিমিটারের মধ্যে।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়, সুতাং নদীর ৩০টি মাছের পরিপাকতন্ত্রে মোট ৫১টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করা হয়েছে, যা গড়ে প্রতিটি মাছে প্রায় ১.৭টি করে মাইক্রোপ্লাস্টিক উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়। বড় আকারের মাছ তুলনামূলকভাবে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণ করে, যা খাদ্যগ্রহণের পরিমাণ ও দীর্ঘ সময় ধরে দূষিত পরিবেশে থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। বিশ্লেষণে পলিথিন (PE), পলিইথিলিন টেরেফথালেট (PET), পলিআমাইড (PA) এবং সেলুলোজ অ্যাসিটেট (CA) ধরনের প্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়, যা মূলত প্লাস্টিক প্যাকেজিং ও বস্ত্রশিল্প থেকে সৃষ্ট দূষণের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে, খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল হবিগঞ্জ অঞ্চলের পরিবেশ দূষণ নিয়ে একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি নদী দখল, শিল্পবর্জ্য নিঃসরণ এবং অপরিকল্পিত নগরায়নের ফলে হবিগঞ্জের নদ-নদী ও পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

সেমিনারে বক্তারা বলেন, নদী ও জলজ পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ ভবিষ্যতে মানবস্বাস্থ্য ও জীববৈচিত্র্যের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠতে পারে। এ ধরনের গবেষণা দেশের মিঠাপানির পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণের মাত্রা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park