1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

কাউনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে অ্যানথ্রাক্স রোগ :আক্রান্ত গরুর মাংস নাড়াচারা ও খাওয়ার কারণে ৪ জনের নমুনা শনাক্ত।

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮০ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধ :মো:আমিনুল ইসলাম

কাউনিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে অ্যানথ্রাক্স রোগ। এতে করে আক্রান্ত হচ্ছে গরু বাছুর।
প্রাণী সম্পদ বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা তৎপর রয়েছে। গ্রামে বাড়ি গিয়ে দেওয়া হচ্ছে অ্যানথ্রক্স বা তড়কা রোগের টিকা। আক্রান্ত গরুর মাংস কাটা,নাড়াচাড়া ও খাওয়ার কারণে উপজেলার ঠাকুরদাস গ্রামের চারজনের নমুনা শনাক্ত সোহেল (৩৫)এরশাদুল ইসলাম (৪০) জাহিদ হোসেন (২৮) ও শান্তা বেগম(২৫)। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ উল্লেখিত রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) পাঠিয়েছেন।
কাউনিয়া উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এ আর এম আল মামুন বলেন পার্শ্ববর্তী পীরগাছা উপজেলায় তড়কা (অ্যানথ্রাক্স) রোগের প্রাদূর্ভাব দেখা দেওয়ায় আমরা সর্তকতা অবলম্বন করি। প্রতিটি ইউনিয়ন টিম গঠন করে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করি। এ পর্যন্ত এ উপজেলায় ৩ হাজার ৫শ’ টিকা দেয়া হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ২ হাজার সচেতনতা মূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। চাষীদের আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নাই।
এ বিষয়ে কাউনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যও পঃপঃ কর্মকর্তা জানান হারাগাছ ঠাকুরদার বটতলা এলাকার চারজনের নমুনা সংগ্রহ শনাক্ত করে ঢাকা আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়েছে।
প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানাগেছে
অ্যানথ্রাক্স (Bacillus Anthracis ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট) মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে মূলত সংক্রামিত পশুদের মাংস বা চামড়ার সংস্পর্শে এলে, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে অথবা दूषित খাবার গ্রহণের মাধ্যমে। অ্যানথ্রাক্স প্রতিরোধের জন্য আক্রান্ত পশুর মাংস না খাওয়া, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং পশুর চামড়া ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের সময় সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।
যেভাবে অ্যানথ্রাক্স ছড়ায়:
ত্বকের সংস্পর্শ: এটি সবচেয়ে সাধারণ উপায়। অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশুর রক্ত, মাংস বা চামড়ার সংস্পর্শে এলে অথবা দূষিত জিনিসপত্র (যেমন: চামড়া) হাতে লাগলে ত্বকের মাধ্যমে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।
শ্বাসের মাধ্যমে: অ্যানথ্রাক্স স্পোর (জীবাণুর একটি রূপ) শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করলে এটি “ইনহেলেশন অ্যানথ্রাক্স” নামে পরিচিত, যা মারাত্মক হতে পারে।
খাদ্যের মাধ্যমে ছড়ায় : দূষিত খাবার, বিশেষ করে অসম্পূর্ণভাবে রান্না করা মাংস, খেলে পেটের মাধ্যমে জীবাণু প্রবেশ করতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়:
পশুর মাংস ও চামড়া: আক্রান্ত পশুর কাঁচা বা अधেকাটা মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। পশুর চামড়া ও মাংস প্রক্রিয়াকরণের সময় সতর্ক থাকুন।
স্বাস্থ্যবিধি: অ্যানথ্রাক্স আক্রান্ত পশুর সংস্পর্শে এলে দ্রুত হাত ধুয়ে ফেলুন।
সচেতনতা: গবাদিপশু বা পশম প্রক্রিয়াকরণ কারখানার কর্মীদের মধ্যে অ্যানথ্রাক্স হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, তাই তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park