1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

বিজ্ঞাপনের বিকল্প প্লাস্টিক: সুদিন হারিয়েছে পোরশার নিতপুর পালপাড়ার মৃৎশিল্প

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৫৪ বার পঠিত

​পোরশা(নওগাঁ) প্রতিনিধি:
যুগের পরিবর্তন ও প্লাস্টিক পণ্যের দাপটে অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে নওগাঁর পোরশা উপজেলার নিতপুর পালপাড়ার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প। শত বছরের বংশপরম্পরায় চলে আসা এই হস্তশিল্প আজ বিলুপ্তির পথে।

একসময় যে মৃৎশিল্পীদের তৈরি হাঁড়ি-পাতিল, কলস, সানকি ও মাটির খেলনার কদর ছিল নিত্যদিনের ব্যবহারে, এখন বিভিন্ন পূজা-পার্বণ ও বিশেষ উৎসব ছাড়া সেগুলোর দেখা আর মেলেই না।

​নিতপুর পালপাড়ার প্রবীণ মৃৎশিল্পী অনিল পাল, মদন পাল ও সুকুমার পাল চরম হতাশা প্রকাশ করে জানান, বংশানুক্রমে তারা এই পেশার সাথে যুক্ত আছেন। একসময় মাটি দিয়ে জিনিসপত্র বানিয়ে বিক্রি করেই তাদের সংসার স্বাচ্ছন্দ্যে চলত। কিন্তু বাজারে প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ও মেলামাইনের সস্তা ও টেকসই পণ্যের দাপটে মাটির তৈরি জিনিসের কদর দিন দিন একেবারেই কমে গেছে।

​মৃৎশিল্পী সুকুমার পাল বলেন, “আগে আমাদের কাজের প্রচণ্ড ব্যস্ততা থাকত। দিন-রাত মাটির কাজ করতাম। এখন আর সেই দিন নেই। প্লাস্টিক আসার পর থেকে মানুষ আর মাটির তৈরি জিনিস ব্যবহার করতে চায় না। এখন শুধু বৈশাখী মেলা, পূজা বা বিশেষ কোনো অনুষ্ঠান এলেই মাটির জিনিসের কিছুটা চাহিদা তৈরি হয়। বছরের বাকি সময়টা অলস বসেই কাটাতে হয়।”

​মদন পাল ও অনিল পাল আক্ষেপ করে জানান, একদিকে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা কমে যাওয়া, অন্যদিকে মাটি সংগ্রহ ও জ্বালানির খরচ অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় এখন এই পেশায় টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে। আয়ের পথ সুগম না থাকায় তাদের নতুন প্রজন্মও আর এই পৈতৃক পেশায় আসতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে অনেকেই পেশা পরিবর্তন করছেন।

​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, আবহমান বাংলার এই ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে মৃৎশিল্পীদের স্বল্পসুদে সরকারি ঋণ সহায়তা, আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পণ্যের বৈচিত্র্য আনয়ন এবং সরকারি-বেসরকারি মেলায় তাদের তৈরি পণ্যের প্রচার ও বিক্রির ব্যবস্থা করা জরুরি। তা না হলে অচিরেই নওগাঁর এই প্রাচীন শিল্প চিরতরে হারিয়ে যাবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park