1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

মেলান্দহ মহিলা কারিগরি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ক্লাস না নিয়ে দলিল লেখার অভিযোগ।

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৯৯ বার পঠিত

বাকিরুল ইসলাম, জামালপুর প্রতিনিধি:
জামালপুরের মেলান্দহ মহিলা কারিগরি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে নিয়মিত ক্লাস না নিয়ে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখকের কাজ করার অভিযোগ উঠেছে।

কলেজে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই তিনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা। এতে কলেজের নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা।

রবিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে সরেজমিনে কলেজে গিয়ে অনুপস্থিত দেখা যায়। তখন তিনি দলিল লেখার কাজে মেলান্দহ সাব রেজিস্ট্রার অফিসে অবস্থান করেন।

জানা গেছে, মেলান্দহ মহিলা কারিগরি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জাহিদুল ইসলাম এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে সরকারি রাজস্ব থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা উত্তোলন করছেন। তবে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি কখনো কলেজে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে আবার কখনো স্বাক্ষর না করেই মেলান্দহ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান। সেখানে তিনি দলিল লেখার কাজে সময় কাটান বলে অভিযোগ রয়েছে। তাঁর নিয়মিত পাঠদান ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের নিয়মিত ক্লাস হয় না। স্যার কলেজে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চলে যান। এতে আমাদের পড়াশোনার ক্ষতি হচ্ছে। নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এদিকে, একজন এমপিওভুক্ত শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দলিল লেখকের কাজ করার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

কলেজের প্রভাষক জালাল মিয়া বলেন, “এখনো স্যার কলেজে আসেনি।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলেজের এক প্রভাষক অভিযোগ করে বলেন, “জাহিদুল স্যার নিয়মিত কলেজে আসেন না। মাঝে মাঝে এসে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান।”

শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের দাবি, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অন্য পেশায় যুক্ত থাকার কারণে যদি নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাঁরা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকার যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আফসানা তাসলিম মুঠোফোনে জানান,খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park