1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

ভালুকায় বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ: লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ শ্রমিকরা, চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা।

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬
  • ৪০ বার পঠিত

সজিব আহমেদ,
ভালুকা (ময়মনসিংহ)

ময়মনসিংহের ভালুকায় বকেয়া বেতন ও বোনাসের দাবিতে শেফার্ড জিন্স কারখানার শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শিল্পাঞ্চল। দিনভর চরম উত্তেজনা, প্রশাসনের সাথে দফায় দফায় ব্যর্থ আলোচনা এবং শেষ পর্যায়ে যৌথবাহিনীর লাঠিচার্জের মধ্য দিয়ে প্রায় ঘণ্টা পর এই গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আজ বুধবার (১১ মার্চ) সকাল থেকে ভালুকা থানাধীন শেফার্ড জিন্স কারখানার কয়েকশ শ্রমিক বকেয়া পাওনার দাবিতে কারখানার ফটকে অবস্থান নেন। মালিকপক্ষের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো সমাধান না আসায় বেলা বাড়ার সাথে সাথে উত্তেজিত শ্রমিকরা কারখানার সংলগ্ন ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। এর ফলে মহাসড়কের উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় গণপরিবহন ও পণ্যবাহী ট্রাক আটকে থাকায় রমজানের এই সময়ে সাধারণ যাত্রী ও চালকদের পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভালুকা উপজেলা প্রশাসন, শিল্প পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। তারা মালিকপক্ষের সাথে সমন্বয় করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বকেয়া পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিলেও শ্রমিকরা তা প্রত্যাখ্যান করেন। শ্রমিকদের দাবি ছিল, অতীতেও এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়ন করা হয়নি, তাই এবার নগদ অর্থ বা লিখিত নিশ্চয়তা ছাড়া তারা সড়ক ছাড়বেন না।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর জননিরাপত্তা এবং মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর অবস্থানে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রশাসনের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও শ্রমিকরা অবস্থান থেকে না সরলে বিকেল নাগাদ শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে লাঠিচার্জ শুরু করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার একপর্যায়ে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মহাসড়ক থেকে সরে গেলে বিকেল ৩টার পর থেকে যানবাহন চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, আমরা সর্বোচ্চ ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছি। কিন্তু জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছানোয় এবং প্রশাসনের সকল প্রস্তাব শ্রমিকরা নাকচ করে দেওয়ায় জানমাল রক্ষায় আমরা মৃদু শক্তি প্রয়োগ করতে বাধ্য হয়েছি।

বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কারখানা ও এর আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park