1. admin@dainikajkerkholachithi.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বালীগাঁও মধ্যপাড়া যুব সমাজের উদ্যেগে বালীগাঁও প্রিমিয়ার লীগ ক্রিকেট বিপিএল সিজন -৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত পোরশায় জাতীয় যুব দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। ঝালকাঠিতে নানা আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস উদ্‌যাপন শংকর দাস পবন, স্টাফ রিপোর্টার তাহিরপুরে পানি সরবরাহ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন ডিমলায় কর্মসংস্থান ও আত্মনির্ভরতার প্রত্যয়ে যুব দিবস উদযাপন। ভালুকায় জাতীয় যুব দিবস: সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নতুন প্রত্যয়। “নরসিংদীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ উদযাপন” বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিয়ে উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ, থোয়াইচিং মং শাককে কারণ দর্শানোর নোটিশ বল্লমঝাড়ে আবারও চেয়ারম্যান প্রার্থী জুলফিকার রহমান, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার প্রত্যাশা পোরশায় এইচএসসিতে বড় ধরনের ফল বিপর্যয়: জিপিএ-৫ শূন্য, পাসের হার মাত্র ১৯.৫৭%

ছাত্র হত্যা মামলায় দুই চাচাতো ভাইয়ের নাম, পরিবারের দাবি—জমি বিরোধের জেরে আসামি।

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৮ বার পঠিত

সাভার প্রতিনিধি

সাভারে ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় একই পরিবারের দুই চাচাতো ভাই মোহাম্মাদ সাব্বির হোসেন (২৮) ও সৈকত (২৭)-এর নাম আসামির তালিকায় রয়েছে। মামলার এজাহারে সাব্বিরকে ১৭ নম্বর এবং সৈকতকে ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে তাদের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ‘সাভার পৌর ছাত্রলীগ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ রয়েছে।

তবে দুই চাচাতো ভাইয়ের পরিবারের সদস্যরা এ রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয়ে ভিন্নমত জানিয়েছেন। তাদের দাবি, সাব্বির ও সৈকত কেউই আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন না। স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

শুক্রবার ২ অক্টোবর সকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে পরিবারের সদস্যরা এসব দাবি করেন।

মামলার এজাহারে ১৬ নম্বর আসামি হিসেবে সৈকত (২৭), পিতা—লুৎফর, সাং—কর্ণপাড়া, থানা—সাভার, জেলা—ঢাকার ঠিকানা উল্লেখ রয়েছে। ১৭ নম্বর আসামি হিসেবে মোহাম্মাদ সাব্বির হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে উভয়ের রাজনৈতিক পরিচয় হিসেবে ‘সাভার পৌর ছাত্রলীগ’-এর কথা উল্লেখ রয়েছে।

পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, দুই চাচাতো ভাইয়ের কারও কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবি ছিল না এবং তারা আওয়ামী লীগ বা ছাত্রলীগের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্থানীয় জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার কারণেই তাদের দুজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।

সাব্বিরের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাব্বিরের বাবা বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক মামলায় প্রায় ছয় মাস কারাভোগ করেছিলেন বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অন্যদিকে, সৈকতের মা বলেন, তার স্বামী মারা যাওয়ার ১৬ মাস হয়েছে। তার দাবি, তার ছেলে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। জমি-সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে তার ছেলেকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।

পরিবারের সদস্যরা আরও বলেন, একই জমি-সংক্রান্ত বিরোধের সূত্র ধরে দুই চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। তারা মামলার তদন্তে এজাহারে উল্লেখ করা রাজনৈতিক পরিচয় এবং দুই যুবকের মামলায় সম্পৃক্ততার বিষয়টি যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।

পরিবারের এসব বক্তব্য তাদের নিজস্ব দাবি হিসেবে উপস্থাপন করা হলো। এসব দাবির সত্যতা সম্পর্কে প্রতিবেদনে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি। মামলার অভিযোগ, আসামিদের সম্পৃক্ততা এবং পরিবারের দাবির সত্যতা তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আলম বলেন, মামলাটিতে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে মোট ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তে কেউ নির্দোষ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে তাদের অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫ দৈনিক আজকের খোলা চিঠি
Theme Customized By Shakil IT Park