
জুলহাজ খাঁন নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম হাটখোলা দাখিল মাদ্রাসা যেনো নিয়োগ বানিজ্যের ত্রানক্রেন্দ্র। মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই এনামুল হক এর বিরুদ্ধে এলাকা বাসির নানা অভিযোগ রয়েছে । গত বছরের ২৯ নভেম্বর বিভিন্ন প্রাকাশিত সংবাদে উল্লেখ্য রয়েছে সুপার এনামুলের কারসাজিতে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি শহিদুল ইসলাম পলাশের স্ত্রী স্বপ্না খানমকে আয়া পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য নির্বাচিত করা হয়েছিলো । এবং ৮ লাখ টাকা লেনদেনও করেছে সভাপতি পলাশ। স্বপ্না খানমকে পরীক্ষায় জেতানোর জন্য সভাপতির আত্মীয় মিম আকতার ও পান্না আকতারকে ডামি প্রার্থী হিসেবে রাখা হয়েছিল। গ্রামবাসীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিতের আবেদন জানান। এরপর শনিবার নিয়োগ বোর্ড গঠনের প্রস্তুতি নিলে স্থানীয়দের তোপের মুখে স্থগিত ঘোষণা করেন ডিজির প্রতিনিধি। মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ একটি সূত্র জানান, এর আগে অফিস সহকারী পদে নিয়োগের জন্য ৮ লক্ষ টাকা নিয়ে নিয়োগদেন সুপার এনামুল হক। এবং স্থগিত করা নিয়োগ পুনরায় চালু করে ১৩ লক্ষ টাকার বিনিময়ে একজনকে আয়া পদে নিয়োগ প্রদান করে। তবে নিয়োগ প্রাপ্তর নিকট আত্মীয় জানান টাকা লেনদেন হইছে আমি জানি সে সময় আমার থেকে দুই লক্ষ টাকা নিয়েছে সুপারকে দেয়ার জন্য।
সংশ্লিষ্টরা জানান পত্যেক নিয়োগে লেনদেন ব্যপারে রাজনৈতিক মহলের কয়েক জন ব্যক্তি ও মাদ্রাসার সুপার এনামুল সহ আরো দুই জন শিক্ষক জরিত আছে। তারা আরো জানান দাখিল মাদ্রাসায় ল্যাব সহকারী পদে নিয়োগ কার্যক্রম দানের জন্য দুইজন ব্যক্তির থেকে মোটা অংকের টাকা চুক্তি হলেও তার অর্ধেক পরিমান অগ্রিম অর্থনেন সুপার এনামুল, সভাপতি পলাশ,ও আরো এক শিক্ষক । মুঠোফোনে অর্থ লেনদেনের এসব অভিযোগ অস্বীকার করে সুপার এনামুল হক বলেন নিয়োগ বন্ধ রয়েছে । মাদ্রাসার সভাপতি পলাশ অভিযোগের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
১৯জুলাই কয়েকটি প্রাকাশিত সংবাদে জাল সাটিফিকেটে ময়েন উদ্দিন এর নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়। অনুসন্ধানে জানা যায় সুপার এনামুল মোটা অংকের টাকা নিয়ে ভুয়া সার্টিফিকেট তৈরি করে ময়েনকে নিয়োগ দেন। সুপার এনামুল রামচন্দ্রপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপারে কাছে যান অবৈধভাবে সার্টিফিকেটটি রেজিস্ট্রারে তুলতে অনুরোধ করেন, এ বিষয়ে রামচন্দ্রপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপার জানান, এনামুল এসেছিলো আমার প্রতিষ্ঠানের নামের একটি সার্টিফিকেট নিয়ে অবৈধভাবে রেজিস্ট্রারে নাম তোলার জন্য, আমি বলেছি আপনে এই অবৈধ সনদ কথায় পাইছেন, আমার স্কুলে লেখাপড়া না করে সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব না, তিনি বলেন আমি ছবি তুলতে চাইলে তিনি দেননি ।