সাভার প্রতিনিধি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি নবীনুর রহমান নবীন বলেছেন, এবারের ঈদ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য এক গভীর বেদনার মুহূর্ত। কারণ, এই প্রথম ঈদে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব খালেদা জিয়া আর সশরীরে উপস্থিত নেই।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এই ঈদ আমাদের জন্য কেবল আনন্দের নয়; বরং এক গভীর শূন্যতার প্রতীক। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না—তিনি ছিলেন আপসহীন গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রতীক।
নবীনুর রহমান উল্লেখ করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা মামলা, নির্যাতন ও কারাবরণের মধ্য দিয়েও খালেদা জিয়া কখনো তার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্য এক অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিলেন।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর অবদানের কথা স্মরণ করে বলেন, “জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা-পরবর্তী রাজনীতিতে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ দেখিয়েছিলেন। তার আদর্শই পরবর্তীতে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আরও সুদৃঢ় হয়েছে।”
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমান-এর নেতৃত্ব প্রসঙ্গে নবীন বলেন, “তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন নতুন গতি পেয়েছে। তার দিকনির্দেশনা আজ তরুণ প্রজন্মকে রাজপথে সাহস জোগাচ্ছে।”
ছাত্ররাজনীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ছাত্রদল শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের অগ্রসেনা। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে ছাত্রদলের প্রতিটি কর্মী আজ রাজপথে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার।
ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নবীনুর রহমান নবীন আহ্বান জানান, “এই শূন্যতার মাঝেও আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, আদর্শে অবিচল থাকতে হবে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে বেগবান করতে হবে।
ঈদের এই দিনে তিনি দেশনেত্রীর রূহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস প্রার্থনা করেন।
সবশেষে তিনি বলেন, “তিনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তার সাহস, তার সংগ্রাম এবং তার রাজনৈতিক দর্শন আমাদের পথচলার চিরন্তন প্রেরণা হয়ে থাকবে।”