নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও কোরআনের হাফেজ সোহেল রানাকে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল রানা এলাকায় একজন ধর্মপ্রাণ, নম্র ও ভদ্র স্বভাবের তরুণ হিসেবে পরিচিত। তার গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা হাফেজ জিয়াউল হকসহ অনেকেই বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অভিযোগের বিষয়টি প্রথমে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা যেত। আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সম্ভব না হলে পরবর্তীতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল বলে তারা মনে করেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ঘটনাটি সোহেল রানার বাড়ির উঠানে ঘটেছে এবং এ বিষয়ে তার বক্তব্যের ভিডিওও রয়েছে। তাদের দাবি, তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তবে মামলার বাদী বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকরা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনের সুষ্ঠু প্রয়োগেরও দাবি জানান।
স্থানীয়দের মতে, অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে সোহেল রানাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে কেউ যদি মিথ্যা অভিযোগ বা ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।